ব্রিটিশ বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার তাদের রাশিয়ার ব্যবসা কেমিক্যাল গ্রুপ আর্নেস্টের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিক্রি সম্পন্ন হলে কোম্পানিটি ৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে বলে জানা গেছে।
উভয় পক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত রুশ সরকারের উপকমিটির কাছে বিক্রির চুক্তিপত্র জমা দিয়েছে। ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর রাশিয়া থেকে বেরিয়ে আসা পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ধরনের চুক্তিপত্রকে বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে ব্যবসাভিত্তিক রুশ গণমাধ্যম কমারসান্ত ও আরবিসি জানিয়েছে, সরকার এরই মধ্যে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।ব্রিটিশ বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার তাদের রাশিয়ার ব্যবসা কেমিক্যাল গ্রুপ আর্নেস্টের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিক্রি সম্পন্ন হলে কোম্পানিটি ৫০ কোটি ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারে বলে জানা গেছে।
উভয় পক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত রুশ সরকারের উপকমিটির কাছে বিক্রির চুক্তিপত্র জমা দিয়েছে। ইউক্রেনে আগ্রাসনের পর রাশিয়া থেকে বেরিয়ে আসা পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ ধরনের চুক্তিপত্রকে বাধ্যতামূলক করে দেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাত দিয়ে ব্যবসাভিত্তিক রুশ গণমাধ্যম কমারসান্ত ও আরবিসি জানিয়েছে, সরকার এরই মধ্যে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে।
রাশিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়া পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তি বলেন, ‘এখনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন জারি করা না হলেও রাশিয়া সবুজসংকেত দিতে প্রস্তুত। এ বিষয়ে ইউনিলিভার ও আর্নেস্ট তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। চুক্তির মধ্যে রয়েছে ইউনিলিভারের সহায়ক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার রাস এলএলসি। প্রতিষ্ঠানটির এতে নর, ডাভ, ডোমেস্টোস ও অ্যাক্সের ব্যবসা পরিচালনা করেছে।’
আরবিসির তথ্যানুসারে, এ চুক্তির ফলে ইউনিলিভার ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার কোটি রুবল (৩৪-৫০ কোটি ডলার) আয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাছাড়া এর মাধ্যমে ইউনিলিভারকে রুশ আইন অনুযায়ী সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাড় দিতে হবে এবং ১০-১৫ শতাংশ প্রস্থান ট্যাক্স দিতে হবে।
ইউনিলিভারের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে দেশটিতে পরিচালিত ব্যবসা ইউনিলিভারের আয় ও নিট মুনাফায় প্রায় ১ শতাংশ অবদান রেখেছে। রাশিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির ৬০ কোটি ইউরোর সম্পদ রয়েছে, যার মধ্যে চারটি কারখানা আছে।
অন্য একটি কোম্পানির প্রস্থানের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি জানান, ‘রাশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী চুক্তিটি মোটেই খারাপ নয়। ক্রেতা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে না, যা সচরাচর দেখা যায় না।’
ইউক্রেনে আক্রমণের পর অনেক পশ্চিমা ব্র্যান্ড রাশিয়া থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। কিন্তু ইউনিলিভার ব্যবসা অব্যাহত রাখায় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, গত বছর তারা রাশিয়ায় তাদের অবস্থান পর্যালোচনা করেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে তারা যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে দেশটিতে তাদের অর্থনৈতিক অবদান কমিয়েছে।
বর্তমানে ব্যবসা পরিচালনার সময় ইউনিলিভার রাশিয়ায় বিজ্ঞাপন এবং সেখান থেকে আমদানি ও রফতানিও বন্ধ রেখেছে। জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হেইন শুমাখার সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাশিয়ায় তারা স্থানীয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’ (খবরঃ ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন