ইউএসএআইডি বন্ধের পর বাংলাদেশ ও ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য কানাডার ২৭২ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:১১ অপরাহ্ন

ইউএসএআইডি বন্ধের পর বাংলাদেশ ও ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য কানাডার ২৭২ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা

  • ১০/০৩/২০২৫

বাংলাদেশ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য ২৭২.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নতুন বৈদেশিক সহায়তা প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। দেশটির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী আহমেদ হুসেন রোববার (৯ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছেন। হুসেন এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করছে কানাডা।
গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদার ও দাতাদের সহায়তার পাশাপাশি এই অর্থ বাংলাদেশ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে ১৪টি প্রকল্পে ব্যয় করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের যখন ইউএসএআইডি-এর মাধ্যমে অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে, সেই সময়ই কানাডার ফেডারেল লিবারেল সরকার এই উদ্যোগ নিল।
ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টা ইলন মাস্ক ৯০ দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা স্থগিত করেন। ফলে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচিগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং সরকারি ও বেসরকারি ঠিকাদারদের হাজারো কর্মচারী ছাঁটাই হন।
ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান সহযোগীরা বিদেশি সহায়তা কর্মসূচিগুলোকে করদাতাদের অর্থের অপচয় হিসেবে দেখেন। তাদের দাবি, এসব প্রকল্প উদারপন্থি রাজনৈতিক এজেন্ডা হাসিলে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে সমালোচকরা মনে করেন, বৈদেশিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানকে দৃঢ় করে এবং অন্যান্য দেশের হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় সহায়তা করে।
কানাডা যেসব বহুবর্ষীয় প্রকল্পে অর্থায়ন করছে, তার বিস্তারিত তথ্য গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার প্রতিবেদনে পাওয়া যাবে।
গ্লোবাল নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডা মূলত লিঙ্গ সমতা, নারীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর প্রকল্পগুলোতে সহায়তা দেবে।
এছাড়া কিছু প্রকল্প জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সম্প্রদায়গুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য হ্রাসে সহায়তা করবে।
এর মধ্যে ‘নার্সিং খাতে নারীদের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের জন্য কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান কোওয়াটার ইন্টারন্যাশনালকে তিন বছরে ৬.৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
এই সহায়তা প্যাকেজটি আহমেদ হুসেন ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে নির্বাচিত লিবারেল পার্লামেন্ট সদস্য পার্ম বেইন্স আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাঙ্কুভারের এক অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লিবারেল সরকার নতুন নেতৃত্বে বসন্তকালীন নির্বাচন ডাকতে পারে।
ফেডারেল সরকারের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে কানাডায় ১ লাখের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষ বসবাস করছে।

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us