ভুটানের তথ্য অধিদপ্তর ইতোমধ্যে স্টারলিংকের মূল্য নির্ধারণ করেছে। ‘রেসিডেনশিয়াল লাইট’ প্যাকেজের মাসিক খরচ ৩ হাজার গুলট্রাম (প্রায় ৪ হাজার ২০০ বাংলাদেশি টাকা), যেখানে ইন্টারনেট গতি থাকবে ২৩ এমবিপিএস থেকে ১০০ এমবিপিএস পর্যন্ত। ‘ স্ট্যান্ডার্ড রেসিডেনশিয়াল’ প্যাকেজের জন্য মাসে ৪ হাজার ২০০ গুলট্রাম (প্রায় ৫ হাজার ৮০০ টাকা) গুনতে হবে, যা ২৫ এমবিপিএস থেকে ১১০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতিসম্পন্ন। এতে আনলিমিটেড ডাটা সুবিধা থাকবে। তবে এই মূল্য স্থানীয় টেলিকম অপারেটরদের তুলনায় বেশি, যা স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক।
এদিকে, স্টারলিংক ভারতেও তাদের পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করছে। তবে দেশটির টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া এখনো বাকি। বিশেষ করে, সরকার স্পেকট্রাম নিলামের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করবে কি না, সে সিদ্ধান্তের ওপর স্টারলিংকের কার্যক্রম নির্ভর করছে। সাধারণত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিচালনার খরচ বেশি হলেও, ভুটানের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সীমিত, সেখানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের জন্য স্টারলিংক বিশ্বসংযোগের নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন