যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪-২৫ মৌসুমে (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) অভ্যন্তরীণ বাজারে চিনি সরবরাহ বাড়তে পারে। সরবরাহ বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখবে দেশে চিনি উৎপাদন ও আমদানি বৃদ্ধি। এমনকি সরবরাহের পাশাপাশি এ সময় দেশটিতে আপেক্ষিক মজুদ হারও বাড়তে পারে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। ।
ইউএসডিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে চিনির সরবরাহ ২ লাখ ৫০ হাজার শর্ট টন (এক শর্ট টন ৯০৭ দশমিক ১৮৫ কিলোগ্রামের সমতুল্য) বাড়তে পারে। এতে মোট সরবরাহ পৌঁছবে ১ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার শর্ট টনে। সরবরাহ বাড়ায় চাহিদার সাপেক্ষে আপেক্ষিক মজুদ হারও বাড়বে। এর আগে জুনে আপেক্ষিক মজুদ হার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে তা বাড়িয়ে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে চিনি উৎপাদন হয় প্রধানত সুগার বিট থেকে। ইউএসডিএ বলছে, দেশটিতে চলতি বছর এ সবজির আবাদ বেড়েছে। আগাম রোপণকৃত সুগার বিটের ফলনও ভালো হয়েছে। ফলে বিট থেকে প্রস্তুতকৃত চিনির উৎপাদন ৫২ লাখ ৩০ হাজার শর্ট টনে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ। জুনে দেয়া পূর্বাভাসে ২০২৪-২৫ মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে ৫১ লাখ ১০ হাজার টন বিট চিনি উৎপাদন হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।
কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে সাধারণত আমদানি কোটা বেঁধে দেয়া হয়। এর আওতায় নির্দিষ্ট পণ্য সর্বোচ্চ কতটুকু আমদানি করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। তবে বাড়তি চাহিদা থাকলে অতিরিক্তি শুল্ক পরিশোধ করে কোটার বাইরেও আমদানি করতে পারেন ব্যবসায়ীরা। ইউএসডিএ বলছে, ২০২৩-২৪ মৌসুমে এ ধরনের আমদানি ১০ লাখ শর্ট টনের বেশি বেড়েছিল। ফলে ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রারম্ভিক মজুদও বেড়ে যায়।
এদিকে ইউএসডিএ পূর্বাভাসে জানায়, চলতি মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে চিনির চাহিদা হতে পারে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টন। এ সময় পর্যাপ্ত মজুদ ও উৎপাদন বাড়ার কারণে আমদানি কমিয়ে দিতে পারেন ব্যবসায়ীরা। (সূত্র: বিজনেস রেকর্ডার)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন