মজুদ বৃদ্ধির কারণে বেশ কয়েক দিন ধরেই কম দামে কোকো বেচাকেনা হচ্ছে। ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তিতে গত শুক্রবার পণ্যটির দাম আরো কমে এসেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিজনেস রেকর্ডার। আইসিইতে ব্যবসায়িক লেনদেনের শেষ দিনে কোকোর দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য নেমে এসেছে ৬ হাজার ৭৫ পাউন্ডে, যা গত চার মাসের সর্বনিম্নের কাছাকাছি। অন্যদিকে নিউইয়র্কে কোকোর দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ কমে টনপ্রতি ৭ হাজার ৮২৩ ডলারে নেমে এসেছে।
এদিকে ডিলাররা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়্যারহাউজে কোকোর মজুদ চার মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশ আইভরি কোস্টে মধ্য-ফসলের ফলন কমার পূর্বাভাস সত্ত্বেও এ বছর তাদের রফতানি চুক্তি বাতিল করতে হবে না। রয়টার্স চলতি সপ্তাহের শুরুতে জানিয়েছিল, শুষ্ক আবহাওয়া আইভরি কোস্টের মধ্য-ফসলের উৎপাদন ৪০ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। উল্লেখ্য, ভরা মৌসুমের পরের সময়কে মধ্য-ফসলের সময় বলে ধরে নেয়া হয়। এ সময় উৎপাদন কিছুটা কম হয়ে থাকে।
(বিজনেস রেকর্ডার)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন