সাশ্রয়ী দামের সঙ্গে কতটা শক্তিশালী আইফোন ১৬ই? – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

সাশ্রয়ী দামের সঙ্গে কতটা শক্তিশালী আইফোন ১৬ই?

  • ০৯/০৩/২০২৫

প্রায় এক দশক ধরে আইফোন এসই সিরিজকে প্রিমিয়াম মডেলের তুলনায় কম দামের বিকল্প হিসেবে বাজারে এনেছে অ্যাপল।
প্রায় এক দশক ধরে আইফোন এসই সিরিজকে প্রিমিয়াম মডেলের তুলনায় কম দামের বিকল্প হিসেবে বাজারে এনেছে অ্যাপল। ২০২০ সালে দ্বিতীয় সংস্করণটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং বিক্রির দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছায়। সাশ্রয়ী দামে আইফোনের অভিজ্ঞতা পাওয়ার সুযোগ থাকায় এসই সিরিজ অনেক গ্রাহকের পছন্দ হতে শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে সিরিজের নতুন মডেল ও বড় পরিবর্তনের অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। অবশেষে এটি পরিমার্জন হয়েছে ‘আইফোন ১৬ই’ নামে। ৫৯৯ ডলার থেকে শুরু হওয়া মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনটি উন্মোচন হয় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি। দাম কম হলেও ডিভাইসটি কতটা আকর্ষণীয় ও কার্যকর হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। নতুন ডিভাইসটি নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে দ্য ন্যাশনাল নিউজ
২০০৭ সালে প্রথম আইফোন থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয় ছিল হোম বাটন। ফিচারটি সহজে ফোন আনলক, পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার এবং অ্যাপল পে-এর মতো লেনদেনে অনুমোদনের সুবিধা দিত। ২০১৭ সালে আইফোন এক্স থেকে বাটনটি সরিয়ে ফেস আইডি দেয়া হয়। এখন আইফোন ১৬ই মডেলও হোম বাটনটি বাদ দিয়ে নিরাপত্তার জন্য ফেসআইডি ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও এসই সিরিজ হিসেবে আইফোন ১৬ই একটি নতুন ডিজাইন, তবু এটি দেখলে বেশ পরিচিত মনে হবে। আইফোন ১২ থেকে শুরু করে অ্যাপল যে ডিজাইন ব্যবহার করে আসছে, নতুন এসই মডেলে একই নকশা লক্ষণীয়। এছাড়া আইফোন ১৪ সিরিজের মতো এতে নচ (স্ত্রিনের ওপরে ক্যামেরা ও সেন্সরের জন্য ছোট কাট-আউট) রয়েছে, আবার আইফোন ১৬ সিরিজের মতো অ্যাকশন বাটন (আগের সাইলেন্ট সুইচ) যুক্ত করা হয়েছে। তবে এ মডেলে ক্যামেরা কন্ট্রোল বাটন নেই। এটি শুধু আইফোন ১৬ প্রোতেই রয়েছে।
চেনা অভিজ্ঞতা, তবে আরো শক্তিশালী
কার্যক্ষমতার দিক থেকে আইফোনের সাশ্রয়ী মডেলটি প্রায় ১৬ প্লাস ও প্রো ম্যাক্সের মতোই কাজ করে। ডিভাইসে ব্যবহার হয়েছে এ১৮ চিপ, যা ১৬ সিরিজেও আছে। যদিও প্রো মডেলে রয়েছে এ১৮ প্রো চিপ। ফোনটি অ্যাপল চিপ ব্যবহারের মাধ্যমে এসই মডেলের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, যদিও ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল
অ্যাপল জানিয়েছে, এটি আগের মডেল এসই থ্রির তুলনায় ১১ ঘণ্টা এবং আইফোন ১৬-এর থেকে ৪ ঘণ্টা বেশি চলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষায়, এটি একবার চার্জে দেড় দিন পর্যন্ত টিকে ছিল। তবে ব্যাটারির স্থায়িত্ব ব্যবহার অনুযায়ী পরিবর্তন হয়। যেমন ব্যস্ততম দিনে (যখন গেমিং মোড চালু ছিল) দুপুরের আগেই আবার চার্জ দিতে হয়েছে।
আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, নতুন মডেল কিউআই ওয়্যারলেস চার্জার সমর্থন করলেও অ্যাপলের নিজস্ব ‘ম্যাগসেফ’ প্রযুক্তি ডিভাইসে কাজ করবে না।
দীর্ঘস্থায়ী চার্জ, সঙ্গে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স
বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষার ফল বলছে, ফোনটি উজ্জ্বলতায় ১ ঘণ্টা ইউটিউব চালানোর পর মাত্র ৬ শতাংশ চার্জ কমেছে। তাদের মতে, এটি এসই থ্রির তুলনায় ভালো ও সামান্য ব্যবধানে আইফোন ১৬ প্লাসকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে এ ফোনের মূল আকর্ষণ হলো অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স। এতে অ্যাপলের নতুন জেনারেটিভ এআই প্লাটফর্ম ব্যবহার করা যাবে।
এক ক্যামেরাই যথেষ্ট
মাত্র একটি ক্যামেরা থাকলেও এটি বেশ শক্তিশালী বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অ্যাপল এ ডিভাইসে ৪৮এমপি ক্যামেরা ব্যবহার করেছে, যা প্রথম আইফোন ১৪ প্রো মডেলে ছিল।

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us