বুধবার (৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, হংকং-ভিত্তিক কোম্পানি সিকে হাচিসন হোল্ডিং গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরদুটির বেশিরভাগ অংশীদারত্ব বিক্রিতে সম্মত হয়েছে। প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলারে বন্দর দুটি কিনতে যাচ্ছে মার্কিন বিনিয়োগ সংস্থা ব্ল্যাকরক। তবে পানামা সরকারের অনুমোদন এখনো বাকি রয়েছে। সিকে হাচিসন হোল্ডিং চীনা সরকারের মালিকানাধীন নয়। হংকংয়ের ধনকুবের লি কা-শিং কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। তবে প্রতিষ্ঠানটি চীনা আর্থিক আইনের অধীনে পরিচালিত হয়। এটি ১৯৯৭ সাল থেকে বিশ্বের ২৩টি দেশে মোট ৪৩টি বন্দর পরিচালনা করছে।
৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে মালামাল পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতি বছর প্রায় ১৮ হাজার জাহাজ এর মধ্য দিয়ে যাতায়াত করে। যার মধ্যে গাড়ি, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং অন্যান্য পণ্য বহনকারী কন্টেইনার জাহাজ ও সামরিক জাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামা খালের নির্মাণকাজ শেষ করে। ১৯৭৭ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের শাসনামলে এই খালের নিয়ন্ত্রণভার পানামার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালে খালের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে মধ্য আমেরিকার দেশটি।
কয়েক সপ্তাহ আগে পানামা নিয়ন্ত্রণে নেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অভিযোগ পানামা খাল ঘিরে প্রভাব বিস্তার করছে চীন। ফেব্রুয়ারিতে পানামা সফরে গিয়ে একই দাবি করেছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও। সে সময় তিনি বলেছিলেন পানামা খালে চীনের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব রয়েছে। তবে সেসব অভিযোগ প্রত্যাখান করে পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুরিনো জানান, খালটির নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে রয়েছে এবং থাকবে। (বিবিসি)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন