ফিউচার মার্কেটে জাপানি রাবারের দাম গত মাসে কমেছে ৮ দশমিক ৬২ শতাংশ। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ সময় সরবরাহ ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা ক্রমে বাড়তে থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তবে সাপ্তাহিক লেনদেনের শেষদিন শুক্রবার প্রাকৃতিক রাবারের দাম আগের দিনের তুলনায় ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ওসাকা এক্সচেঞ্জে (ওএসই) আগস্টের সরবরাহ চুক্তিতে পণ্যটির দাম বেড়েছে দশমিক ৪ ইয়েন বা দশমিক ১১ শতাংশ। প্রতি কেজির মূল্য স্থির হয়েছে ৩৬০ দশমিক ৪ ইয়েনে (২ ডলার ৪০ সেন্ট)।
অন্যদিকে এ সময় সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জে (এসএইচএফই) মে মাসের সরবরাহ চুক্তিতে প্রাকৃতিক রাবারের দাম বেড়েছে ১৪০ ইউয়ান বা দশমিক ৮ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য পৌঁছেছে ১৭ হাজার ৭১০ ইউয়ানে (২ হাজার ৪৩০ ডলার ৩২ সেন্ট)। এছাড়া এসএইচএফইতে এপ্রিলের বুটাডিন রাবার চুক্তির মূল্য ২৬০ ইউয়ান বা ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ১০০ ইউয়ানে (১ হাজার ৯৩৪ ডলার ৯৩ সেন্ট) পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, মেক্সিকো ও কানাডা থেকে আমদানীকৃত পণ্যের ওপর প্রস্তাবিত ২৫ শতাংশ শুল্ক আগামী কাল থেকে কার্যকর হবে। পাশাপাশি চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এদিকে ইয়েনের বিনিময় হার গত মাসে ৩ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। মুদ্রার বিনিময় হার বেড়ে গেলে অন্যান্য দেশের ক্রেতাদের কাছে সাধারণত পণ্যের চাহিদা কমে যায়।
ফেব্রুয়ারি-মে পর্যন্ত প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনের নিম্নমুখী মৌসুম চলে। চীনের কনসালট্যান্সি ফার্ম গুহাই লিয়াংশি ফিউচারস জানায়, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। এটি প্রাকৃতিক রাবারের সামগ্রিক সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে।
খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন