মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অটো আমদানির ওপর প্রায় ২৫ শতাংশ শুল্কারোপ করতে চান বলে জানিয়েছেন। তাছাড়া ফার্মাসিউটিক্যালস ও সেমিকন্ডাক্টরেও একই ধরনের শুল্ক আরোপ করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
ক্ষমতাগ্রহণের আগে থেকেই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্কারোপের কথা বলেছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজে আসার পর যা তিনি কর্যকর করা শুরু করেছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ২ এপ্রিল থেকে অটোমোবাইলের ওপর শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। বাণিজ্য ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতেই তিনি এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ওষুধ ও সেমিকন্ডাক্টর চিপের ওপর সেক্টরাল শুল্কও ২৫ শতাংশ বা তার বেশি থেকে শুরু হবে। তবে এই শুল্ক ঠিক কবে থেকে শুরু হবে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি তিনি।
চীন বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ি প্রস্তুতকারক হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব গ্রহণ করেছে। চীনা কোম্পানি বিওয়াইডি ভলিউমের দিক থেকে এরই মধ্যে টেসলাকে ছাড়িয়ে গেছে। চীনে এক সময় বিদেশি কোম্পানিগুলোর ব্যাপক আধিপত্য ও প্রতিযোগিতা ছিল কিন্তু এখন সেই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে বিওয়াইডি। শুধু বিওয়াইডি নয় চীনের অন্যান্য গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি যেমন চেরি, গিলি ও সাইক তাদের দেশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গাড়ি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছে।
গার্টনার কনসালটেন্সির পেদ্রো পাচেকো বলেন, চীনের গাড়ি নির্মাতারা এখন বিশ্বব্যাপী গাড়ি শিল্পের শীর্ষে থাকা ভক্সওয়াগেন ও টয়োটাকে হটিয়ে দিতে চায়। রপ্তানি আরও সম্প্রসারণ তাদের মূল লক্ষ্য।
সিটিগ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর চীন থেকে বিদেশে ৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন গাড়ি রপ্তানি করা হয়েছে, যা তিন বছর আগের তুলনায় তিনগুণ বেশি। বলা হচ্ছে, এই বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে ও ২০৩০ সালে এই রপ্তানি করা গাড়ির সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন