চলতি বছর চাঁদে যেতে পারে অর্ধডজন বাণিজ্যিক চন্দ্রযান – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন

চলতি বছর চাঁদে যেতে পারে অর্ধডজন বাণিজ্যিক চন্দ্রযান

  • ১১/০২/২০২৫

বাণিজ্যিকভাবে চন্দ্রাভিযানের সূচনা হয় গত বছর। চলতি বছর এ ধরনের অভিযান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাসার কমার্শিয়াল লুনার পে-লোড সার্ভিসেস (সিএলপিএস) প্রোগ্রামের অধীনে বিভিন্ন সংস্থার মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে মিশন পরিচালনা করছে। খবর এনগ্যাজেট। জানা গেছে, ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ একটি ল্যান্ডার ন্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেবে। চন্দ্রযানটি চাঁদের পৃষ্ঠের নিচের স্তর পরীক্ষা করবে। এটি হবে বছরের তৃতীয় চন্দ্রাভিযান। চলতি বছর নাসার ছয়টি সিএলপিএস মিশন রয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জানুয়ারি ফায়ারফ্লাই অ্যারোস্পেসের ব্লু ঘোস্ট মিশন-১ এবং জাপানের ইস্পেস কোম্পানির হাকুটো-আর স্পেসএক্স ফ্যালকন-৯ রকেটে যাত্রা করে।
ব্লু ঘোস্ট-২ আগামী মার্চে চাঁদের মারে ক্রিসিয়ামে নামবে এবং ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণ, নমুনা সংগ্রহ ও চৌম্বকীয় ক্ষেত্র পর্যবেক্ষণের কাজ করবে। ইস্পেসের রেজিলিয়েন্স ল্যান্ডার মারে ফ্রিগোরিসে মে-জুন নাগাদ একটি রোভারসহ বিভিন্ন পরীক্ষামূলক সরঞ্জাম নিয়ে যাবে। সেখানে ইনটুইটিভ মেশিনসের দ্বিতীয় মিশন আইএম টু ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর উদ্দেশে রওনা করবে। এটি প্রাইম ওয়ান পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং চাঁদের বরফের নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করবে। চাঁদে প্রথম সেলুলার নেটওয়ার্ক স্থাপনে নকিয়ার একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়েও যাবে এটি।
ব্লু অরিজিনের ব্লু মুন মার্ক ওয়ান এ বছর চাঁদে নামতে পারে, যা এসসিএএলপিএসএস ক্যামেরা সিস্টেম নিয়ে যাবে। অ্যাস্ট্রোবোটিকের গ্রিফিন ল্যান্ডারও বছরের শেষে চাঁদে যাবে। তবে নাসার ভাইপার রোভার বাতিল হওয়ায় সেটি পরিবর্তিত পে-লোড বহন করবে। ব্লু অরিজিনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জন কলুরিস গত মার্চে সিক্সটি মিনিটসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ১২-১৬ মাসের মধ্যে চাঁদে অবতরণ করব বলে আশা করছি।’ অন্যদিকে ইনটুইটিভ মেশিনসের আইএম থ্রি মিশন ২০২৫-এর শেষ নাগাদ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা চাঁদের রেইনার গামা চৌম্বক ক্ষেত্র পর্যবেক্ষণ করবে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অ্যাস্ট্রোবোটিকের পেরিগ্রিন ল্যান্ডার যাত্রা করলেও জ্বালানি লিকের কারণে ব্যর্থ হয়। তবে ফেব্রুয়ারিতে ইনটুইটিভ মেশিনসের ওডিসিয়াস সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছিল। যদিও পরে উল্টে যায়। যদিও ২০২৫ সালে চাঁদে প্রচুর মিশন পরিচালিত হবে, তবে এখনই মানুষ সেখানে যাচ্ছে না। আর্টেমিস টু মিশন ২০২৬ সালের এপ্রিল এবং আর্টেমিস থ্রি মিশন ২০২৭ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত পিছিয়েছে।বাণিজ্যিকভাবে চন্দ্রাভিযানের সূচনা হয় গত বছর। চলতি বছর এ ধরনের অভিযান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাণিজ্যিকভাবে চন্দ্রাভিযানের সূচনা হয় গত বছর। চলতি বছর এ ধরনের অভিযান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাসার কমার্শিয়াল লুনার পে-লোড সার্ভিসেস (সিএলপিএস) প্রোগ্রামের অধীনে বিভিন্ন সংস্থার মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে মিশন পরিচালনা করছে।
জানা গেছে, ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ একটি ল্যান্ডার ন্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেবে। চন্দ্রযানটি চাঁদের পৃষ্ঠের নিচের স্তর পরীক্ষা করবে। এটি হবে বছরের তৃতীয় চন্দ্রাভিযান। চলতি বছর নাসার ছয়টি সিএলপিএস মিশন রয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জানুয়ারি ফায়ারফ্লাই অ্যারোস্পেসের ব্লু ঘোস্ট মিশন-১ এবং জাপানের ইস্পেস কোম্পানির হাকুটো-আর স্পেসএক্স ফ্যালকন-৯ রকেটে যাত্রা করে। ব্লু ঘোস্ট-২ আগামী মার্চে চাঁদের মারে ক্রিসিয়ামে নামবে এবং ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণ, নমুনা সংগ্রহ ও চৌম্বকীয় ক্ষেত্র পর্যবেক্ষণের কাজ করবে। ইস্পেসের রেজিলিয়েন্স ল্যান্ডার মারে ফ্রিগোরিসে মে-জুন নাগাদ একটি রোভারসহ বিভিন্ন পরীক্ষামূলক সরঞ্জাম নিয়ে যাবে। সেখানে ইনটুইটিভ মেশিনসের দ্বিতীয় মিশন আইএম টু ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর উদ্দেশে রওনা করবে। এটি প্রাইম ওয়ান পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং চাঁদের বরফের নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করবে। চাঁদে প্রথম সেলুলার নেটওয়ার্ক স্থাপনে নকিয়ার একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়েও যাবে এটি। ব্লু অরিজিনের ব্লু মুন মার্ক ওয়ান এ বছর চাঁদে নামতে পারে, যা এসসিএএলপিএসএস ক্যামেরা সিস্টেম নিয়ে যাবে। অ্যাস্ট্রোবোটিকের গ্রিফিন ল্যান্ডারও বছরের শেষে চাঁদে যাবে। তবে নাসার ভাইপার রোভার বাতিল হওয়ায় সেটি পরিবর্তিত পে-লোড বহন করবে। ব্লু অরিজিনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জন কলুরিস গত মার্চে সিক্সটি মিনিটসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ১২-১৬ মাসের মধ্যে চাঁদে অবতরণ করব বলে আশা করছি।’ অন্যদিকে ইনটুইটিভ মেশিনসের আইএম থ্রি মিশন ২০২৫-এর শেষ নাগাদ পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা চাঁদের রেইনার গামা চৌম্বক ক্ষেত্র পর্যবেক্ষণ করবে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অ্যাস্ট্রোবোটিকের পেরিগ্রিন ল্যান্ডার যাত্রা করলেও জ্বালানি লিকের কারণে ব্যর্থ হয়। তবে ফেব্রুয়ারিতে ইনটুইটিভ মেশিনসের ওডিসিয়াস সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করেছিল। যদিও পরে উল্টে যায়। যদিও ২০২৫ সালে চাঁদে প্রচুর মিশন পরিচালিত হবে, তবে এখনই মানুষ সেখানে যাচ্ছে না। আর্টেমিস টু মিশন ২০২৬ সালের এপ্রিল এবং আর্টেমিস থ্রি মিশন ২০২৭ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত পিছিয়েছে। খবর এনগ্যাজেট।

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us