যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দফতরে সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ হচ্ছে না ডজের – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দফতরে সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ হচ্ছে না ডজের

  • ০৯/০২/২০২৫

মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়, বিলিয়নিয়ার মাস্ক সরকারি কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশাধিকারের মাধ্যমে নিজের কোম্পানি এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পেতে পারেন। ইলন মাস্কের সরকারি ব্যয় সংকোচন বিভাগকে (ডজ) যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিভাগের সিস্টেমে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন দেশটির একজন ফেডারেল বিচারক।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ শ্রমিক ইউনিয়নের দায়ের করা এক মামলায় ওয়াশিংটন ডিসির ডিসট্রিক্ট বিচারক জন বেটস এই অস্থায়ী রায় দেন। এটি সরকারি কর্মচারীদের ইউনিয়নের জন্য একটি প্রাথমিক ধাক্কা, যারা মাস্কের ফেডারেল আমলাতন্ত্রকে সঙ্কুচিত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।

মামলাটিতে অভিযোগ করা হয়, বিলিয়নিয়ার মাস্ক সরকারি কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশাধিকারের মাধ্যমে নিজের কোম্পানি এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পেতে পারেন। বেটস রায়ে বলেন, যদিও আদালত অভিযুক্তদের আচরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু আমেরিকান ফেডারেশন অব লেবার অ্যান্ড কংগ্রেস অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্গানাইজেশনস (এএফএল-সিআইও) দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে যে, শ্রম বিভাগের পদক্ষেপের ফলে তারা ক্ষতির শিকার হয়েছে। সংস্থাটির সভাপতি লিজ শুলার এক বিবৃতিতে বলেন, এই সিদ্ধান্ত একটি ধাক্কা, কিন্তু পরাজয় নয়। ইউনিয়ন তাদের দাবির সমর্থনে আরো প্রমাণ সরবরাহ করবে। এই বিষয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্রম দফতরের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সাড়া দেননি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের শীর্ষ ধনী এবং টেসলা, মহাকাশ প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্সের মালিক ইলন মাক্সকে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট অ্যাফিসিয়েন্সি (ডজ) পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। এই বিভাগের কাজ হলো সরকারি প্রতারণা ও অপচয় চিহ্নিত করা। মাস্কের এই প্রচেষ্টা আইনপ্রণেতা ও অধিকার সংস্থাগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা বলছেন, তিনি তার ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন করছেন, কারণ তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচির দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলো ভেঙে দিতে এবং ব্যাপক সংখ্যক ফেডারেল কর্মীকে বরখাস্ত করতে চাইছেন। খবর রয়টার্স।

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us