ভিআর ও স্মার্ট গ্লাসে মেটার বিনিয়োগ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন

ভিআর ও স্মার্ট গ্লাসে মেটার বিনিয়োগ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে

  • ০৬/০২/২০২৫

স্মার্ট গ্লাস খাতে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণের বৃহৎ পরিকল্পনা নিয়েছে টেক জায়ান্ট মেটা। ভার্চুয়াল ও অগমেন্টেড রিয়ালিটি (ভিআর ও এআর) প্রযুক্তিতে চলতি বছর ফেসবুকের মালিক প্রতিষ্ঠানটির মোট বিনিয়োগ ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালকে স্মার্ট গ্লাসের বছর বলে ঘোষণা দিয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ। খবর ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

সম্প্রতি প্রকাশিত মেটার সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক দশকের বেশি সময় ক্ষতির মুখে থাকার পর গত বছর কোম্পানিটি রিয়ালিটি ল্যাবসে ১ হাজার ৯৯০ কোটি ডলার বিনিয়োগের রেকর্ড করেছে। এই ইউনিট রে-ব্যান মেটা স্মার্ট গ্লাস তৈরি করে। এসব গ্লাস এরই মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এর সঙ্গে তারা কোয়েস্ট ভিআর হেডসেটও তৈরি করে, যা তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, কোম্পানিটি গত বছর ১০ লাখ সেট রে-ব্যান গ্লাস বিক্রি করেছে। ২০১৪ সালে ভিআর নির্মাতা কোম্পানি ওকুলাস কিনে নেয় মেটা। গত সোমবার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ও কোম্পানির প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এরপর ভিআর ও এআর পণ্যের উন্নয়ন এবং অধিগ্রহণে সিলিকনভিত্তিক কোম্পানিটির সামগ্রিক বিনিয়োগ এখন পর্যন্ত ৮ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মেটার বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিভাগের বার্ষিক বিনিয়োগ আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ থেকে বোঝা যায়, চলতি বছর এ খাতে আরো ২ কোটি ডলার বিনিয়োগ হবে। পরিসংখ্যান থেকে আরো জানা যায়, জাকারবার্গ নতুন একটি কম্পিউটিং প্লাটফর্ম তৈরির পেছনে বিপুল খরচ করছেন, যাতে এই প্লাটফর্ম স্মার্টফোনের জায়গা নিতে পারে। একই সঙ্গে মেটা অ্যাপ ও পরিষেবাগুলো বিপণনের জন্য অ্যাপল বা গুগলের ডিভাইসের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারে। এর অংশ হিসেবে, মার্ক আরো উন্নত এআর গ্লাস তৈরি করছেন, যা বাস্তব জগৎ নিয়ে ডিজিটাল কনটেন্ট প্রদর্শন করতে সক্ষম। তিনি গত সেপ্টেম্বরে এর প্রোটোটাইপ ওরিয়ন উন্মোচন করেন। প্রসঙ্গ, মেটার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপল ও গুগল একই ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করছে। মেটাভার্স বইয়ের লেখক ও প্রযুক্তি বিনিয়োগকারী ম্যাথিউ বল বলেন, ‘রিয়ালিটি ল্যাবসে মেটার বিনিয়োগ অবাক করার মতো। আপনি যদি বিশ্বাস করেন, এটি অ্যাপলের আইওএস প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম এমন একটি ব্যবসা তৈরি করতে পারে, তাহলে একে অযৌক্তিক বলা যায় না।’ তবে মেটা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। ২০২৪ সালে রিয়ালিটি ল্যাবস ২১০ কোটি ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। তবে এর পরিচালন বাবদ লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ৭৭০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৯ সালে রিয়লিটি ল্যাবস ১ হাজার ১০ কোটি ডলার আয় করেছিল। ওই বছর থেকে মেটা ইউনিটটির আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করছে।

 

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us