জাপানের হোনশুর কান্তো অঞ্চলের ইবারাকি প্রিফেকচার ২০১৯ সাল থেকে বাসিন্দাদের সুখের মাত্রা নির্ধারণে সমীক্ষা পরিচালনা করে আসছে। তবে এ বছরই প্রথম প্রিফেকচারের গবেষকরা পরিসংখ্যানগত তথ্য বিশ্লেষণ করে ইবারাকিতে বসবাসরত বিদেশী বাসিন্দাদের সুখের মাত্রা নির্ধারণ করেছেন এবং জাপানের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে এর তুলনা করেছেন। ১৪টি উপবিভাগে বিন্যস্ত কর্মসংস্থান, জীবন ও শিক্ষা তিনটি প্রধান বিভাগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে বিদেশীদের সুখ সূচক। গবেষকরা প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিটি প্রিফেকচারের জন্য একটি সংখ্যাগত সুখ সূচক নির্ধারণ করেছেন। এতে রাজধানী টোকিও বড় ব্যবধানে শীর্ষস্থানে রয়েছে। ইবারাকি রয়েছে চতুর্থ স্থানে। প্রাপ্ত তথ্যমতে টোকিও, মিয়ে, আইচি, ইবারাকি, শিজুওকা, তোচিগি, হিয়োগো, কিয়োটো, ওসাকা ও গিফুর সুখ সূচক যথাক্রমে ৪ দশমিক শূন্য ৩, ১ দশমিক ৮৭, ১ দশমিক ৮২, ১ দশমিক ৭৯, ১ দশমিক ৭৩, ১ দশমিক ৩৮, ১ দশমিক ৩৭, ১ দশমিক ৩৪, ১ দশমিক ৩১ ও ১ দশমিক ২৪। কর্মসংস্থান, জীবন ও শিক্ষা তিনটি বিভাগেই প্রথম স্থান দখল করেছে টোকিও। অন্যদিকে ইবারাকির ক্ষেত্রে তিনটি বিভাগেরই সূচক বেশ স্থিতিশীল ছিল। কর্মসংস্থান ও জীবন উভয়ের জন্য ষষ্ঠ স্থানে ও শিক্ষার জন্য পঞ্চম স্থানে ছিল ইবারাকি। গবেষকরা দেখেছেন, ব্যক্তিগত সুখের স্তর একেকজনের ক্ষেত্রে ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শিক্ষা বিভাগটি মূলত কলেজ-পূর্ব শিক্ষার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে যা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নাও হতে পারে, বিশেষ করে যদি সন্তান না থাকে। তেমনি যদি কেউ এরই মধ্যে জাপানি ভাষায় দৈনন্দিন জীবনযাত্রা পরিচালনায় অভ্যস্ত হন, তবে বিদেশীদের জন্য নির্ধারিত সহায়তা ডেস্কের প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবুও বিদেশী বাসিন্দাদের কল্যাণে ইবারাকি এখন বিস্তৃত আগ্রহ-উৎসাহের দাবিদার। কারণ প্রিফেকচারটি জানিয়েছে, তারা নির্দিষ্ট বিভাগগুলোর ফলাফল আরো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে, যাতে বিদেশীদের চাহিদা অনুসারে সাড়া আরো উন্নত করা যায়।
খবর : জাপান টুডে
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন