শিগগিরই আরেক দফা সুদহার কমতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার এক ইভেন্টে এ ইঙ্গিত দিয়েছেন। শিগগিরই আরেক দফা সুদহার কমতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি ফেডারেল রিজার্ভ বোর্ডের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার এক ইভেন্টে এ ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এ সময় ক্রিস্টোফার ওয়ালার উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে ফেডের দীর্ঘমেয়াদি ২ শতাংশ লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে। সাম্প্রতিক ডাটা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ২ দশমিক ৪, যা অক্টোবরে সামান্য বেড়ে হয়েছে ২ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে প্রবণতা হিসেবে সামগ্রিকভাবে নিম্নমুখী ধারা নির্দেশ করছে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রেকর্ড সময় ধরে সুদহার সর্বোচ্চ স্তরে ধরে রাখে মার্কিন আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এরপর চার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গত সেপ্টেম্বরে সুদহার ৫০ বেসিস পয়েন্ট বা দশমিক ৫০ শতাংশীয় পয়েন্টে হ্রাস করে ফেড, যা বাজারের প্রত্যাশার তুলনায়ও বেশি ছিল। এরপর অক্টোবরে আরেক দফা কমানো হয় সুদহার। ওই সময় সুদহার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বা দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্টে কমিয়ে ৪ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ সীমার মধ্যে নামিয়ে আনা হয়।
মূলত মহামারী-পরবর্তী সময়ে মুদ্রানীতি সহজ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সুদহার কমানোর এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ক্রিস্টোফার ওয়ালার জানান, চলতি মাসে সুদহার কমানোর পক্ষে রয়েছেন তিনি। তবে সর্বশেষ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে ফেড কী সিদ্ধান্ত নেবে। যদি মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী থাকে এবং অন্যান্য শর্ত ঠিক থাকে, তবে ফেড ঋণের খরচ কমাতে পারে।
এদিকে নির্বাচনে জয়ের পর বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থনীতিবিদদের একাংশের আশঙ্কা এ ধরনের পদক্ষেপ মূল্যস্ফীতিতে স্বল্পমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। সুদহার কমানোর পদক্ষেপ মার্কিন ভোক্তাদের কাছে অতিপ্রতীক্ষিত। কারণ এতে ঋণ ও বন্ধকি খরচ কমে। ঘরবাড়ি কেনা বা ঋণ নেয়া আগের তুলনায় সহজ হয়। সহজ ঋণ ব্যবসায় বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণে সহায়তা করতে পারে। এছাড়া শেয়ারবাজার চাঙ্গা হয় এবং বিনিয়োগকারীদের মাঝে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা বেড়ে যায়।
খবর আনাদোলু।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন