গত সেপ্টেম্বরে প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ছিল জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতে সৌদি পণ্যের শীর্ষ গন্তব্য। এ সময় দেশটি থেকে সৌদি আরব ৬৫৪ কোটি রিয়াল বা ১৮৪ কোটি ডলার আয় করেছে।
পরিসংখ্যান অফিসের তথ্যানুযায়ী, সৌদি আরব সেপ্টেম্বরে ইউএইতে যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম রফতানি বাবদ আয় করেছে ৩১০ কোটি রিয়াল। এর পরেই অবস্থান পরিবহন যন্ত্রাংশ ও রাসায়নিক পণ্যের। এ দুই খাত থেকে আয় করেছে যথাক্রমে ১৬৪ কোটি ও ৩৭ কোটি ৫৮ লাখ রিয়াল।
জ্বালানি তেলবহির্ভূত পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’-এর অন্তর্ভুক্ত। দেশটি অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণের পদক্ষেপ হিসেবে ধীরে ধীরে জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনছে।
সম্প্রতি বিশ্ব বিনিয়োগ সম্মেলনে সৌদি আরবের অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিষয়ক মন্ত্রী ফয়সাল আল ইব্রাহিম বলেছিলেন, জ্বালানি তেলবহির্ভূত কার্যক্রম বর্তমানে দেশটির জিডিপির ৫২ শতাংশ দখল করে আছে। তিনি আরো জানান, ‘ভিশন ২০৩০’-এর সূচনা থেকে খাতটি ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে।
সেপ্টেম্বরে ইউএইতে ৩৪ কোটি ৫৯ লাখ রিয়ালের প্লাস্টিক ও রাবার পণ্য রফতানি করে সৌদি আরব। এরপর ছিল ১৪ কোটি ৯৬ লাখ রিয়ালের জীবিত প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্য।
জ্বালানি তেলবহির্ভূত খাতে ইউএইর পরে ভারত ছিল সৌদি আরবের বড় গন্তব্য। এখানে ২৩৫ কোটি রিয়ালের পণ্য পাঠানো হয়েছে। শীর্ষে রয়েছে রাসায়নিক পণ্য ও সংশ্লিষ্ট শিল্পের পণ্য, এর দাম ছিল ১২১ কোটি রিয়াল। অন্য পণ্যের মধ্যে প্লাস্টিক ও গহনার দাম ছিল যথাক্রমে ৪৩ কোটি ৮৪ লাখ ও ৩৪ কোটি ৫৫ লাখ রিয়াল।
তৃতীয় স্থানে থাকা চীন সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব থেকে ১৭৩ কোটি রিয়ালের জ্বালানি তেলবহির্ভূত পণ্য আমদানি করেছে। অন্যান্য শীর্ষ গন্তব্যের মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুর (১৩৯ কোটি রিয়াল), তুরস্ক (৯৭ কোটি ৩৪ লাখ রিয়াল) ও বেলজিয়াম (৯৬ কোটি ৪৭ লাখ রিয়াল)।
খবর আরব নিউজ।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন