মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় ৩৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা এক ট্রিলিয়ন ডলারের এক চতুর্থাংশ মূল্যের একটি নতুন অর্থনৈতিক থোকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান সরকার। এর মূল স্তম্ভগুলোর মধ্যে রয়েছে সমগ্র দেশের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতির জন্য প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা। অন্যান্য পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হচ্ছে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় হ্রাস এবং জনসাধারণকে নিরাপত্তার অনুভূতি প্রদান করা।
এই থোকের মধ্যে বিদ্যুৎ এবং গ্যাস বিলের জন্য ভর্তুকি, আবাসিক কর পরিশোধ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পরিবারগুলোর জন্য নগদ অর্থ সহায়তা এবং ১লা জানুয়ারিতে নোতো উপদ্বীপে আঘাত হানা ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্য সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইশিবা শিগেরু শুক্রবার বলেছেন,”মানুষের জীবন যে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে, সেটি অনুধাবনের জন্য বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে মজুরি ও আয় বৃদ্ধি করা গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্যে, থোকটির লক্ষ্য হচ্ছে জাপানকে ব্যয় কর্তনের অর্থনীতি থেকে একটি উচ্চ মূল্য-সংযোজনের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা।”
অর্থনৈতিক থোকটির মূল্য প্রায় ২১.৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ডলার। এরসাথে বেসরকারি খাতের তহবিল অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা মোট প্রায় ৩৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন, বা প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। এদিকে, সরকার চলতি অর্থবছরের জন্য একটি সম্পূরক বাজেট প্রণয়ন করছে এবং আশা করছে যে আগামী মাসের শেষ নাগাদ তা পাস করা যাবে।
এছাড়া, আয়করের জন্য বার্ষিক আয়ের সীমা বর্তমানের ১.০৩ মিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ৬ হাজার ৬৫০ ডলার থেকে বাড়ানোর পরিকল্পনাও থোকটিতে রয়েছে। সংখ্যালঘিষ্ঠের সরকার, বিরোধী দলগুলোর একটির কাছ থেকে সীমা বৃদ্ধির অনুরোধ গ্রহণ করার পরে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কর ব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। (Source: NHK World Japan)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন