পিয়ারসন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে ১১তম আউটস্ট্যান্ডিং লার্নার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ৭৪২ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে ২০২৩ এবং ২০২৪ সালে ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করা হয়। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ বছর ৭৪২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন বিশ্বের এবং এশিয়ার সেরা হিসেবে স্বীকৃতি পান। এছাড়া ৩৯ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪৬১ জন ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই এবং ২০২ জন ইন্টারন্যাশনাল এ লেভেলের শিক্ষার্থী রয়েছেন।
পিয়ারসন ইউকের গ্লোবাল মার্কেটিং ডিরেক্টর লিসা ইভান্স প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘এ পুরস্কারগুলো শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা তাদের এ সাফল্যে গর্বিত।’
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিরেক্টর ড্যান পাশা, পিয়ারসনের এমপ্লয়েবিলিটি ডিরেক্টর প্রিমিলা পলরাজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং কান্ট্রি এক্সামস ডিরেক্টর ম্যাক্সিম রাইমান। অতিথিরা অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক শিক্ষার গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে পিয়ারসন বাংলাদেশের রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল মামুন লিটন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস সিগমা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, পিয়ারসন এডেক্সেলের যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অক্সফোর্ড, হার্ভার্ড এবং টরন্টোসহ বিশ্বের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং পিয়ারসন আশা করে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।
পিয়ারসন যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম অ্যাওয়ার্ডিং বডি। এটি ১০০টিরও বেশি দেশে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রদানকারী বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সংস্থা। প্রাইমারি, লোয়ার সেকেন্ডারি, ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই এবং এ লেভেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা মূল্যায়ন করে থাকে পিয়ারসন।
অনুষ্ঠানের আয়োজন সফল করতে পিয়ারসন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল একসঙ্গে কাজ করেছে। শিক্ষার্থীদের অসাধারণ সাফল্যের মাধ্যমে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার অগ্রগতি আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন