ব্রাজিলে গত মাসে ফসলের উপযোগী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ কারণে প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোয় কফি গাছে প্রচুর ফুল এসেছে।
ব্রাজিলে গত মাসে ফসলের উপযোগী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ কারণে প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোয় কফি গাছে প্রচুর ফুল এসেছে। এর পরও আগামী বছর কফির ভালো ফলন নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সমবায় সমিতির নেতা ও কৃষিবিদরা। তারা বলছেন, এ বৃষ্টিপাত ব্যাপক আকারে উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শীর্ষ কফি উৎপাদনকারী দেশগুলোয় গত দুই মৌসুমে পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদন কম হয়েছে। ফলে আগামী বছর শীর্ষ উৎপাদক ব্রাজিলে ভালো উৎপাদন হলে তা বৈশ্বিক সরবরাহে ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ব্রাজিলের শীর্ষ কফি রফতানিকারক সমবায় কোঅক্সুপের প্রধান কার্লোস অগুস্তো রদ্রিগেজ ডি মেলো বলেন, ‘গাছে প্রচুর ফুল এসেছে। কিন্তু অভিজ্ঞ চাষীরা বলছেন, ফুল আসা মানেই কফি উৎপাদন ভালো নাও হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘খরার পাশাপাশি সাম্প্রতিক মাসগুলোয় উচ্চ তাপমাত্রা কফি গাছের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ফলে আগামী বছর ভালো ফলন নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।’
প্রোকাফে ফাউন্ডেশনের কফি গবেষক জোসে ব্রাজ মাতিয়েলো বলেন, ‘কিছু ছোট ফলের থোকা আপনাআপনি ঝরে যাবে এবং নতুন পাতা গজাতে পারে।’
তার মতে, খরার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে পূর্বাভাসের তুলনায় ২০-৩০ শতাংশ কম উৎপাদন হতে পারে।
খবর : বিজনেস রেকর্ডার।
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন