পূর্ব আফ্রিকার যোগাযোগে সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে তানজানিয়ার রেল প্রকল্প – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

পূর্ব আফ্রিকার যোগাযোগে সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে তানজানিয়ার রেল প্রকল্প

  • ২৬/১০/২০২৪

তানজানিয়ার শহর দার এস সালামে দেশটিতে পাওয়া বিরল রত্নপাথর তানজানাইটের আদলে ও রঙে তৈরি করা হয়েছে নতুন রেলওয়ে টার্মিনাল। নীল-বেগুনি রঙের আভার স্থাপনাটি পূর্ব আফ্রিকাজুড়ে ভ্রমণ ও বাণিজ্য সহজীকরণের উচ্চাভিলাষী পরিবহন পরিকল্পনার প্রতিনিধিত্ব করছে।
দার এস সালাম টার্মিনাল ও রাজধানী শহর দোদোমার মধ্যে যে ট্রেনটি চলাচল করছে সেটি পুরো অঞ্চলের মধ্যে প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন। ৪ ঘণ্টারও কম সময়ে যাত্রী পরিবহন করছে, যেখানে সড়কপথে পাড়ি দিতে দ্বিগুণ সময় লেগে যায়। দার এস সালামের নতুন এ রেলওয়ে টার্মিনালটি ২ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার (১ হাজার ৫৯০ মাইল) দৈর্ঘ্যের স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেলওয়ে (এসজিআর) প্রকল্পের সূচনাবিন্দু। রেলপথটি তানজানিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং প্রতিবেশী দেশ বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রকেও সংযুক্ত করবে।
৪৬০ কিলোমিটার (২৮৫ মাইল) দীর্ঘ দার এস সালাম থেকে দোদোমা পর্যন্ত রেলপথে গত আগস্ট থেকে ট্রেন চলাচল করছে। উদ্বোধনের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট সামিয়া সুলুহু রেলপথটিকে ‘ভবিষ্যতের পথ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এর মাধ্যমে পূর্ব আফ্রিকায় তানজানিয়ার অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে।’
তানজানিয়াবাসীদের ভ্রমণকে আরো সহজ ও আরামদায়ক করেছে ট্রেনটি। একটা সময় সড়কপথে দীর্ঘযাত্রা বেশ কষ্টের মধ্য দিয়ে পার করতে হতো তাদের। প্রতিটি বগিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আরামদায়ক সিট যুক্ত করা হয়েছে। আধুনিক যুগের আরামদায়ক অভিজ্ঞতার মোটামুটি সবকিছুরই ব্যবস্থা করা হয়েছে ট্রেনে।
এসজিআরের কর্মকর্তা মাচিবিয়া মাসানজা বলেন, ‘দৈনিক অন্তত ৭ হাজার যাত্রী ভ্রমণ করছে। রুটটিতে প্রতিদিন আটবার ট্রেন যাতায়াত করছে এবং সবগুলোই যাত্রীপূর্ণ ছিল। চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে প্রতিদিনকার ট্রিপে সবাইকে সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আমরা ধারণা করছি যাত্রীর সংখ্যা দুই বা তিন গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ট্রেন ও যাত্রার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’ বর্তমানে ট্রেনটি সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) গতিতে চলাচল করছে। তবে এর চেয়েও বেশি গতিতে চলাচলের সক্ষমতা আছে ট্রেনটির। স্ট্যান্ডার্ড গেজ রেলওয়ে প্রকল্পের কাজ ২০১৭ সালে শুরু হয় এবং ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে কিছুটা দেরিতে প্রায় ১ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ে কাজ শেষ হয়। (খবরঃ বিবিসি)

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us