সারা বিশ্বে চীনের প্রতীক হয়ে আছে পান্ডা। কিন্তু দেশটির বাইরে আদুরে প্রাণীটি প্রায় বিরল! বেইজিংয়ের বদান্যতায় সারা বিশ্বে হাতেগোনা কিছু চিড়িয়াখানায় দেখা মেলে পান্ডার। তেমন একটি ফিনল্যান্ডের আটারি জু, এখানে রয়েছে দুটি পান্ডা। নতুন খবর হলো লালনপালন ব্যয়বহুল হওয়ায় বৃহদাকারের পান্ডাগুলো চীনে ফেরত যাচ্ছে। আরো কয়েক বছর পর ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও এখন নভেম্বরে বাড়ি ফিরবে প্রাণী দুটি। কারণ তাদের রক্ষণাবেক্ষণের সামর্থ্য নেই চিড়িয়াখানার। চীনা নেতা শি জিনপিং নর্ডিক দেশ পরিদর্শন এবং প্রাণী সুরক্ষার বিষয়ে একটি যৌথ চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কয়েক মাস পর লুমি ও পাইরি নামের পান্ডা দুটিকে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ফিনল্যান্ডে পাঠানো হয়েছিল। চীনে ফেরত পাঠানোর আগে এ জুটিকে এক মাসের জন্য কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। আটারি জুর চেয়ারম্যান রিস্তো সিভোনেন জানান, পান্ডাদের জন্য ৯০ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগ করা সত্ত্বেও মহামারী ও ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে চিড়িয়াখানা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এছাড়া পান্ডাদের রক্ষণাবেক্ষণে বার্ষিক খরচ, চীনের সংরক্ষণ ফিসহ খরচ বেড়েছে প্রায় ১৭ লাখ ডলার। আশা করা হয়েছিল, পান্ডাগুলো দর্শককে আকৃষ্ট করবে। কিন্তু মহামারীর কারণে ভ্রমণ বন্ধ থাকায় উল্টো ক্রমবর্ধমান হারে ঋণের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলেছে, অর্থায়নের আবেদন করলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছিল ফিনিশ সরকার। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, পান্ডা প্রত্যাবর্তন চিড়িয়াখানার ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত, যার সঙ্গে সরকার জড়িত নয়। এতে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়বে না। এদিকে হেলসিঙ্কিতে চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, চিড়িয়াখানাটিকে সাহায্য করতে চীন চেষ্টা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত পান্ডা ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। (খবর ও ছবিঃ রয়টার্স)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন