মিলিয়নেয়াররা স্থানান্তর হচ্ছেন ইউরোপের পাঁচ শহরে – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

মিলিয়নেয়াররা স্থানান্তর হচ্ছেন ইউরোপের পাঁচ শহরে

  • ০৭/০৯/২০২৪

ধনীদের মধ্যে এক শহর থেকে অন্য শহর কিংবা অন্য দেশে স্থানান্তর হওয়া বেশ সাধারণ ঘটনা। এর ব্যতিক্রম নন ইউরোপের ধনীরাও। বসবাসের জন্য তারা নিজ শহরের বাইরে নানা কারণে স্থানান্তর হচ্ছেন। এক্ষেত্রে ইউরোপের পাঁচটি শহর তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে, যেখানে প্রথম স্থানে আছে শিল্প-সংস্কৃতির তীর্থস্থান প্যারিস। মজার ব্যাপার সবচেয়ে বেশি ধনীদের বসবাসের স্থান লন্ডন এ তালিকায় নেই। ইংল্যান্ডের রাজধানী শহরের অবস্থান এ তালিকায় সপ্তম।
নাইট ফ্র্যাংকের ইউরোপীয় লাইফস্টাইলের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮৩ শতাংশ উচ্চ ধনী, যাদের আয় অন্তত ১ মিলিয়ন (১০ লাখ)ডলার বা তার বেশি সম্পদ আছে, তারা শহরের জীবনকে সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য পছন্দ করেন। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ গ্রাম বা রিসোর্টের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা জায়গায় বসবাস করতে ভালোবাসেন।
তালিকার অন্য শহরগুলোর মধ্যে আছে জার্মানির বার্লিন, স্পেনের বার্সেলোনা, অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা ও তালিকার পঞ্চম অবস্থানে আছে স্পেনের আরেক শহর মাদ্রিদ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩ কোটি ডলার বা তার বেশি সম্পদের মালিক ১৯ শতাংশ অতিধনী ব্যক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পাসপোর্ট বা নতুন নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন। নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, ও কর সুবিধাই তাদের মূল অগ্রাধিকার হলো। এর বিপরীতে তরুণ প্রজন্ম কর্মসংস্থানের সুযোগের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়।
হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স নামের একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে বৈশ্বিকভাবে রেকর্ড ১ লাখ ২৮ হাজার ধনীর স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০২৩ সালেও ছিল ১ লাখ ২০ হাজার। অর্থাৎ ধনীদের স্থানান্তরের প্রবণতা বেড়েছে।
এদিকে পৃথক প্রতিবেদনে হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য এখন আর ধনীদের নিরাপদ স্থান নয়। চলতি বছর ব্রিটেনের ৯ হাজার ৫০০ জন অতিধনী ব্যক্তি স্থানান্তরিত হতে পারেন, যা আগের বছর ছিল ৪ হাজার ২০০ জন।
হেনলির ভাষ্য, ১৯৫০ ও ২০০০ সালের প্রথম দিকে ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বহু ধনী পরিবার যুক্তরাজ্যে এসে বাসা বেঁধেছিল। তবে ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ে ২০১৭-২৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্য ১৬ হাজার ৫০০ ধনীর মাইগ্রেশন হারিয়েছে।
কিছুদিন আগেও যুক্তরাজ্যে ‘নন-ডম’ কর চালু ছিল। এর আওতায় আগে বিদেশী নাগরিকদের আন্তর্জাতিক আয়ের ওপর কর ধার্য করা হতো না। ফলে বিলিয়নিয়ারদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় ছিল। তবে সম্প্রতি সে সুবিধা বাতিল করেছে দেশটির সরকার। ফলে দেশটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অন্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বেসরকারি স্কুলের টিউশন ফি ও কর বেড়ে যাওয়া।

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us