চীন এবং হংকং এক বছর আগে ফুকুশিমা দাই-ইচি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরিশোধিত ও পাতলা করে নেয়া পানি সমুদ্রে ছেড়ে দেয়ার সমালোচনা করে আমদানি নিয়ন্ত্রণ প্রবর্তনের পর থেকে জাপানের সামুদ্রিক খাদ্য রপ্তানি ১৬ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।
গত বছর আগষ্ট মাসে পানি ছাড়া শুরুর পাল্টা পদক্ষেপ হিসাবে চীন জাপানের সামুদ্রিক পণ্যের সবরকম আমদানি স্থগিত করে দেয়। হংকংও ফুকুশিমা ও মিয়াগি’সহ জাপানের ১০টি জেলা থেকে এজাতীয় আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। জাপানের মৎস্য মন্ত্রণালয় জানায় যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে দেশের সামুদ্রিক পণ্য রপ্তানির মোট পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮৮ বিলিয়ন ইয়েন বা ২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এই পরিমাণ হচ্ছে এক বছর আগের তুলনায় ১৬.৯ শতাংশ কম।
চীনে স্ক্যালোপ বা ঝিনুকের চালান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বছরের প্রথমার্ধে এই রপ্তানি এক বছর আগের প্রায় ১৪৬ মিলিয়ন ডলার থেকে শূন্যে নেমে আসে।
তবে এরকম আমদানি নিষেধাজ্ঞা জাপানী রপ্তানিকারকদের, অন্যান্য বাজার খুঁজে পেতে তাদের চালানো প্রচেষ্টা তরান্বিত করায় প্ররোচিত করেছে। মন্ত্রণালয় জানায় যে একই সময়ে চীন ছাড়া অন্যান্য দেশে ঝিনুক রপ্তানি ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। (Source: NHK World Japan)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন