জাপানে রিসোর্ট শহর কারুইজাওয়ায় বার কয়েক এসেছিলেন প্রয়াত বিটলস কিংবদন্তি জন লেনন ও তার স্ত্রী ইয়োকো ওনো। সেখানে গেলেই তাদের ঠিকানা হতো ম্যাম্পেই হোটেল। প্রায় ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি হোটেলটির দরজা আংশিকভাবে খুলে দেয়া হয়েছে। এ হোটেলের সঙ্গে জাপানের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় জড়িত। এখানে বিয়ে নিয়ে আলাপ করেছিলেন সম্রাট আকিহিতো ও সম্রাজ্ঞী মিচিকো। অন্যদিকে জন লেননের শেখানো রাজকীয় দুধ চা এখন ম্যাম্পেইয়ের জনপ্রিয় আইটেম। রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার মরি ট্রাস্ট ১৯৯৭ সাল থেকে ম্যাম্পেই হোটেল পরিচালনা করছে। চলতি বছর পূর্ণ হবে হোটেলটি প্রতিষ্ঠার ১৩০তম বার্ষিকী। এ উপলক্ষে বাহ্যিক ঐতিহ্যবাহী সজ্জা অক্ষুণ্ন রেখে অভ্যন্তর ভাগে যোগ করা হয়েছে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম। ঐতিহাসিক ভবন কেনার ক্ষেত্রে মরি ট্রাস্টের বড়োসড়ো রেকর্ড রয়েছে। ২০১১ সালে কোম্পানিটি ১৮৯৯ সালে নির্মিত ঐতিহ্যবাহী কিয়োটো ইন কিনে নেয়। সংস্কারের পর ২০১৫ সালে বিলাসবহুল হোটেল সুইরান চালু করে। করপোরেট সদস্যদের জন্য লাফোরেট ক্লাব চালু করেছে মরি ট্রাস্ট, যা জাপানে প্রথম। কোম্পানিটি বর্তমানে দেশের ২০টিরও বেশি স্থানে হোটেল খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২০৩০ অর্থবছর নাগাদ হোটেল ব্যবসা থেকে পরিচালন মুনাফা ১০ হাজার কোটি ইয়েনে উন্নীত করা তাদের লক্ষ্য। এ পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দু হলো ঐতিহাসিক ভবনগুলোর পুনরুদ্ধার। সামনে শীতে চালু হবে হোটেল ইন্ডিগো নাগাসাকি গ্লোভার স্ট্রিট, যা তৈরি হয়েছে ১৮৯৮ সালে নির্মিত জেসুইট মঠে। মে মাসে কিয়োটোয় প্রিন্স আরিসগাওয়ার সাবেক বাসভবন অধিগ্রহণ করেছে মরি ট্রাস্ট। একই অঞ্চলে হোজু নদীর ধারের একটি শতবর্ষী ভবনকে রেস্তোরাঁয় রূপান্তর করা হয়েছে। মরি ট্রাস্ট মূলত ধনীদের লক্ষ্য করে ব্যবসা সাজিয়েছে। কিয়োটোয় তাদের হোটেলে প্রতি রাতে খরচ হয় ১ লাখ ইয়েনের বেশি। (খবর ও ছবিঃ নিক্কেই এশিয়া)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন