বিশ্বের শীর্ষ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশ চীন। দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনৈতিক মন্দার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশটি। এ কারণে আগামী বছর চীনের জ্বালানি তেল আমদানি কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদা কমায় প্রভাব ফেলবে। মাসভিত্তিক এক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার এমন পূর্বাভাস দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। তবে চলতি বছর বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আইইএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী বছর বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক ৯ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল বাড়তে পারে, যা এর আগে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় দৈনিক ৩০ হাজার ব্যারেল কম। এছাড়া চলতি বছর দৈনিক চাহিদা ৯ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এর আগে দেয়া পূর্বাভাসের তুলনায় অপরিবর্তিত।
করোনা মহামারী-পরবর্তী চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা কমে গেছে। প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটি জানায়, চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের চাহিদায় প্রভাব ফেলছে। তবে পশ্চিমা অর্থনীতিতে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী পেট্রলের এক-তৃতীয়াংশ দেশটি ব্যবহার করে থাকে।
আইইএ আরো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে এবারের গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ও ওপেকবহির্ভূত দেশগুলোর জ্বালানি তেল উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্তে সরবরাহ ঘাটতিতে পড়তে পারে বিশ্ব।
আইইএ জানায়, অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি)-ভুক্ত দেশগুলোর বাইরে দেশগুলোয় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে জ্বালানি তেলের চাহিদা ২০২০ সালের পর থেকে সবচেয়ে কম ছিল। (খবরঃ রয়টার্স)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন