এশিয়ার শীর্ষ দুই কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া। দেশ দুটিতে চলতি সপ্তাহে পণ্যটির দাম কমেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, লন্ডন মার্কেটে দাম কমে যাওয়া ও মৌসুম শেষে চাহিদা কমে যাওয়ায় ভিয়েতনামে কফির দাম নিম্নমুখী হয়েছে। অন্যদিকে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায়ও কমেছে কফির দাম।
সেন্ট্রাল হাইল্যান্ড ভিয়েতনামের বৃহত্তম কফি উৎপাদন কেন্দ্র। অঞ্চলটির কৃষকরা চলতি সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি বিন ১ লাখ ২৪ হাজার থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ডংয়ে (৪ ডলার ৯০ থেকে ৪ ডলার ৯৪ সেন্ট) বিক্রি করছেন, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার থেকে ১ লাখ ২৮ হাজার ডং।
অন্যদিকে দেশটিতে সেপ্টেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে ৫ শতাংশ কালো ও ভাঙা বিনযুক্ত গ্রেড-২ রোবাস্তা কফি বিক্রি হচ্ছে টনপ্রতি ৫৫০-৫৬০ ডলারে। এ বিষয়ে অঞ্চলটির এক ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে কফির সরবরাহ খুবই কম। অবশিষ্ট কফি অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহের জন্য রাখা হয়েছে। তাছাড়া দামের অস্থিরতা, অনিশ্চিত সরবরাহ ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় কৃষকরাও নতুন করে কফি বিক্রির চুক্তি করছেন না।
এদিকে গত বুধবার সেপ্টেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে রোবাস্তা কফির দাম টনপ্রতি ১৫৪ ডলার কমে ৪ হাজার ৩২৭ ডলারে নেমে আসে। এ বিষয়ে মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জ অব ভিয়েতনামের ডেপুটি চিফ এনগুয়েন এনগক কুয়েনহ বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ বাজার খারাপ সময় পার করছে। বিশ্বব্যাপী রোবাস্তা কফির দাম আবারো বাড়তে পারে। তবে চলতি বছর শেষ হওয়ার আগে ভিয়েতনামের বাজারে তার প্রভাব নাও পড়তে পারে।
ইন্দোনেশিয়ার এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, দেশটিতে সুমাত্রা রোবাস্তা কফি বিন আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে টনপ্রতি ৬০০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। আগের সপ্তাহেও একই দামে পণ্যটি বিক্রি হয়েছিল।
অন্য এক ব্যবসায়ী জানান, বাজারে কফি সরবরাহ বেশি থাকায় চলতি সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ায় দাম কমেছে। সেপ্টেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে চলতি সপ্তাহে এটি টনপ্রতি ৫২০ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে, গত সপ্তাহে যা ছিল ৬৩০ ডলার।
ইন্দোনেশিয়ার ল্যামপাং অঞ্চলের কৃষকরা জানান, চলতি বছর কফি গাছে ফুল আসার সময় শুষ্ক আবহাওয়া থাকায় ফলন বেড়েছে। (সূত্র: বিজনেস রেকর্ডার)
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন