তুরস্কে গমের মজুদ কমার পূর্বাভাস – The Finance BD
 ঢাকা     শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

তুরস্কে গমের মজুদ কমার পূর্বাভাস

  • ২৮/০৭/২০২৪

তুরস্কে ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে গমের সমাপনী মজুদ আগের বছরের তুলনায় ৬১ শতাংশ কমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। সম্প্রতি ইউএসডিএর ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে গম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তুরস্ক সরকার। অন্যদিকে বিরূপ আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে গমের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন কমে গেছে। ফলে চলতি বিপণন বর্ষ শেষে তুরস্কে মজুদ কমে যেতে পারে। ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি মৌসুমে তুরস্কে গম উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ কমে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টনে নেমে যেতে পারে। একই সময় গম আমদানি ৩০ শতাংশ কমে ৬৫ লাখ টনে পৌঁছবে।
এফএএস বলছে, অক্টোবর নাগাদ আমদানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে বলে পূর্বাভাসে ধরে নেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে তুরস্কের আটা রফতানিকারকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন তুরস্কের কৃষি মন্ত্রণালয় ২১ জুন থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত গম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। সরকারি ভাষ্যমতে, চলতি বছর দাম কমাসহ অন্যান্য নেতিবাচক প্রভাব থেকে কৃষকদের রক্ষা করতে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়।
অবস্থার উন্নতি না হলে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা অক্টোবর ছাড়িয়ে যেতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, মাড়াই মৌসুমে সরবরাহ বাড়ার কারণে দাম কমে যাওয়া, অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কৃষি যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও বাজারকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে আমদানি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বিশ্বে গম থেকে তৈরি আটা রফতানিতে শীর্ষে আছে তুরস্ক। দেশটি ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে ৫৮ লাখ টন (গমের সমতুল্য) আটা রফতানি করতে পারে। এফএএস বলছে, আমদানি নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির আটা রফতানিকারকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা মূল্যে গম বিক্রি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তারা। নিষেধাজ্ঞা অক্টোবরের চেয়ে বেশি সময় পর্যন্ত বর্ধিত হলে আন্তর্জাতিক বাজার হারানোর আশঙ্কাও করছেন রফতানিকারকরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তুরস্কে উৎপাদিত গম থেকে তৈরি আটা রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সরকার। কিন্তু পরে তা উঠিয়ে নেয়া হয়। একইভাবে মিলিং গম. দুরুম গম ও বার্লি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞাও উঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
এফএএস বলছে, তুরস্কের আনাতোলিয়া ও অ্যাগনসহ গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন অঞ্চলগুলোয় শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ফলন ও গমের মান কমে গেছে। দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক ও থ্রাস অঞ্চলে গমের উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। (সূত্র: ওয়ার্ল্ড গ্রেইনডটকম)

ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি

ট্যাগঃ

মন্তব্য করুন

Leave a Reply




Contact Us