কোরিয়া ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যান্ড বায়োর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশটি ৪ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ওন বা ৩২৬ কোটি ডলারর মূল্যের ফার্মাসিউটিক্যাল ও বায়োটেকনোলজি পণ্য রফতানি করেছে। ২০২৩ সালের একই সময়ে দেশটি ২ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ওনের এ ধরনের পণ্য রফতানি করেছিল।
ফার্মা ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুসারে, গত বছরের তুলনায় এ খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫৫ শতাংশ।
তবে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে রফতানি চুক্তির পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। অবশ্য চুক্তি ১২ থেকে ৭-এ নেমে এলেও প্রতিটি চুক্তির আওতায় পণ্য সরবরাহের পরিমাণ বেড়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের রফতানি পণ্যের তুলনায় বেশি। এ বিষয়ে ফার্মা ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, চলতি জুনে স্বাক্ষরিত তিনটি চুক্তির প্রতিটির মূল্য ছিল ৫০ হাজার কোটি ওনের বেশি।
অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুসারে, বছরের প্রথমার্ধে ফার্মা ও বায়োটেক খাতে রফতানি যেভাবে বেড়েছে তা অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৪ সালের মোট ৮ ট্রিলিয়ন ওনের সংশ্লিষ্ট পণ্য রফতানি করবে।
পরিসংখ্যান উল্লেখ করে ফার্মা অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘রফতানি বাড়ার মানে হলো দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ও বায়োফার্মাসিউটিক্যাল প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।’
সূত্র: zee Business
ক্যাটাগরিঃ অর্থনীতি
ট্যাগঃ
মন্তব্য করুন